March 23, 2026, 10:53 am

সংবাদ শিরোনাম
ঈদ যাত্রায় জনভোগান্তি নিরসনে সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযান শ্রম পরিদর্শন: লাইসেন্সে অস্বচ্ছতা, বোনাসে নীরবতা রসিক-এর পূর্ণকালীন প্রশাসক হলেন-আইনজীবী মাহফুজ-উন-নবী চৌধুরী আলুর লাভজনক দাম নিশ্চিত করা এবং সার নিয়ে দুর্নীতি, কালোবাজারী বন্ধ করে ভর্তুকি মূল্যে কৃষকের সার পাওয়ার নিশ্চয়তার দাবিতে রংপুরে কৃষক সংগঠনের বিক্ষোভ শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? বদর দিবস উপলক্ষে গঙ্গাচড়ায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রংপুর জেলার নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের পরিচিতি সভা শ্রম পরিদর্শন না প্রহসন? ঈদের আগে হোটেল শ্রমিকদের বোনাস সংকটের ভেতরের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প একটি প্রজ্ঞাপন, বহু প্রত্যাশা: ঈদ বোনাসের অন্তরালের গল্প

করোনার কারনে এবারও ঈদে স্বজনদের খাবার ও সাক্ষাৎ পাচ্ছেনা কারাবন্দীরা

শাহিন আহম্মেদ,কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধিঃ

প্রতি বছর দুই ঈদে কারাগারে থাকা বন্দীদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা খাবার নিয়ে সাক্ষাৎ করতে পারেন। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বন্দিদের সাথে স্বজনদের দেখা-সাক্ষাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। তাই করোনার প্রকোপ না কমায় এবার ঈদেও স্বজনদের খাবার ও সাক্ষাৎ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বন্দীরা।এপ্রিলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক বন্দীর শরীরে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর পাহারায় থাকা ১১ কারারক্ষীর করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। পরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আরেকজন বন্দী ও নয়জন কারারক্ষীর শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। এরপর পঞ্চগড় ও রংপুর কারাগারে একজন করে বন্দী করোনায় আক্রান্ত হন।পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশের ৬৮ কারাগারে বন্দীদের সঙ্গে স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।তবে, ঈদের খুশির খুব একটা কমতি নেই কারাগারে বন্দীদের মাঝে। সারাবিশ্বে মুসলমান ধর্মাবলম্বীদের মতো ঈদ উদযাপন করেছেন তারাও। প্রতিবছরের মতো এবারও কারাবন্দীদের জন্য নানা আয়োজন করেছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারসহ দেশের সবকটি কারাগার।এবার ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঈদের নামাজের জামাত আদায় করেছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা বন্দীরা। কারাগারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবকিছুই করা হচ্ছে। নামাজ শেষে ঈদ উপলক্ষে বন্দীদের পায়েস ও মুড়ি দেয়া হয়েছে। রাতের খাবারে থাকছে বিশেষ আয়োজন।দুপুর বেলায় বন্দীদের জন্য থাকবে সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছ। রাতে থাকবে পোলাও, মুরগী, গরুর মাংস, মিষ্টি ও সর্বশেষ পান সুপারি। এছাড়া কোরবানি ঈদ উপলক্ষে প্রত্যেক বন্দির জন্য ৩০০ গ্রাম করে মাংস বরাদ্দ রাখা হয়েছে।ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্র জানায়, সাধারণত প্রতি সপ্তাহে একজন বন্দী তাঁর পরিবারের সঙ্গে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান। প্রতিটি কারাগারে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ বন্দী থাকেন এবং ২৫০ বন্দীর জন্য একটি মুঠোফোনে কথা বলার ব্যবস্থা আছে। সে ক্ষেত্রে বন্দীদের সঙ্গে তাঁর স্বজনদের কথা বলার জন্য একেকটি কারাগারে পাঁচ থেকে ছয়টি মুঠোফোন আছে।দেশে করোনা–পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্দীদের সঙ্গে তাঁদের স্বজনদের সাক্ষাৎ বন্ধ থাকবে।

প্রাইভেট ডিটেকটিভ/৩আগষ্ট ২০২০/ইকবাল

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর